Sundarban Package Tours 2007, Call 08583048848

Sundarban Tours and Travel of 2017, Call 8583048848

সুন্দরবন কে জানুন

Photo Gallery

বাংলাদেশএর একেবারে দক্ষিন প্রান্তে ও ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের দক্ষিন প্রান্তে অবস্তিত নদীর বদ্বীপ নিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে গড়ে ওঠা পৃথিবীর সবথেকে বড় মান্গ্রভ বনভূমি হলো সুন্দরবন, আয়তনে প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার, যার মধ্যে প্রায় ৪,০০০ বর্গকিলোমিটার ভারতীয় ভূখণ্ডে ও বাকিটা বাংলাদেশের৷ বাংলার বাঘের সবথেকে বড় বিচরণ ক্ষেত্র হলো সুন্দরবন৷ সুন্দরবন জাতীয় উদ্যান হলো বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের জন্য বিখ্যাত এবং এই অংশটি ঘন বনভূমিতে তৈরি৷

নামকরণ:

সুন্দরবনের নামকরণ নিয়ে নানা মতপার্থক্য আছে, সুন্দরবন শব্দের বাংলা মানে “সুন্দর বন”, আবার কারোর মতে সুন্দরী গাছ প্রচুর পরিমানে দেখা যায়, আবার অন্য মতে “সমুন্দর বন”, যাই হোক মোটামুটি সর্বজনগ্রাহ্য মত হলো সুন্দরী গাছ থেকে নামকরণ৷

ইতিহাস:

সুন্দরবনের ইতিহাস বেশ প্রাচীন, প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ শতাব্দী, বাগমারা ব্লকে চাঁদ সওদাগর দ্বারা নির্মিত প্রাচীন শহরের ধন্গ্সাবসেশ পাওয়া যায়৷  মুঘল আমলে এই অঞ্চলটি স্থানীয় জমিদারদের ইজারা দেওয়া হয়েছিল৷ মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে সৈন্য বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে বহু দুস্কৃতি জঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকত এবং বহু দুষ্কৃতি হিঙ্গস্র বাঘের পেটে যায়৷ পরবর্তীকালে, ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বহু নির্মান পর্তুগিজ দস্যু, জলদস্যু, লবন স্মুগলার এবং ডাকাতদের দখলে যায়,যার বহু প্রমান এখনো নেতিধপানি ও সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে আজও দেখা যায়৷

এই বনভূমি ধারাবাহিক পরিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান অবস্থানে পৌছেছে, সুন্দরবন হলো প্রথম মান্গ্রভ বনভূমি যা বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা করা হয়, এই অঞ্চলটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, মুঘল রাজ আলমগীর এর কাছ থেকে পাওয়ার পর ১৭৬৪ সালে এর ম্যাপ তৈরি করেন৷ পরবর্তীকালে ১৮৬০ সালে ব্রিটিশরা বাংলা প্রদেশের অধীনে একটি বনবিভাগ তৈরি করেন৷ এই মাপজোকএর কাজটি পুরোটাই করা হয় স্থানীয় মানুষদের নিয়ে কারণ ইংরেজদের এই দুর্গম অঞ্চলের কোন অভিজ্ঞতা ছিল না৷

১৮৬৯ সালে প্রথম ফরেষ্ট নিয়ামক বিভাগ তৈরি হয়৷ ১৮৭৫ সালে এই ম্যানগ্রোভ বনভূমির একটা বড় অংশ সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা করা হয়, ১৮৬৫ সালের বনভূমি আইন দ্বার৷ পরবতী বছরে বাকি বনাঞ্চলটিও সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়, যার ফলে পুরো বনভূমিটির নিয়ন্ত্রণ জেলা প্রশাসনএর বদলে বন প্রশাসনের অধীনে হয়ে যায়, ১৮৭৯ সালে হওয়া এই ফরেষ্ট বিভাগের প্রধান ভবনটি ছিল অধুনা বাংলাদেশের খুলনা জেলায় প্রথম লিখিত পরিকল্পনা নেওয়া হয় ১৮৯৩-৯৮ সালের জন্য৷

সুন্দরবনের পরিমাপ করাটা খুব সহজ কাজ ছিল না, ১৯১১ সালে হুগলী নদীর মুখ থেকে মেঘনা নদীর মুখ পর্য্যন্ত প্রায় ২৬৬ কিলোমিটার লম্বা বাউন্ডারী টানা হয়৷ সুন্দরবনের বেশিরভাগটাই অসংখ্য ছোটো ছোটো নদী ও খাঁড়ি নদী দ্বারা নির্মিত আর গভীর জঙ্গল৷ এই সমস্ত জঙ্গলে প্রচুর বন্য প্রাণী ও বাঘ দেখা যায়৷ এই অঞ্চলটি নদীমাতৃক হওয়ার জন্য এখানকার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হলো লঞ্চ ও ডিঙ্গি নৌকা৷

Kolkata City Tour

Sonakshi Travels | Sundarban Package Tours © 2014 This website powered by SEOOFINDIA.COM Frontier Theme